
হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সন্তোষের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এলেও প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশি সূত্রের দাবি, ‘জুলাই অভ্যুত্থান’–সংশ্লিষ্ট কয়েকজন যুবক থানায় এসে বানিয়াচং থানার ওসির সামনে বসে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছে।
সূত্র জানায়, তারা সংঘবদ্ধভাবে হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই স্বীকারোক্তির ভিডিও, জবানবন্দি বা আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংও দেয়নি প্রশাসন।
এদিকে এত গুরুতর অভিযোগ ও স্বীকারোক্তির দাবির পরও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। প্রশ্ন উঠেছে—স্বীকারোক্তির দাবি থাকলে দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনি পদক্ষেপ কোথায়?
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোন ধরনের “তদন্তের কোন উদ্যোগ দেখা যায় নি—অভিযুক্তদের আইনি অবস্থান কিংবা স্বীকারোক্তির আইনি বৈধতা নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। ফলে প্রশাসনের নীরবতা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলছে।
উল্লেখ্য, এসআই সন্তোষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। একজন দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের এমন নির্মম মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ না করে বরং খুনিদের মদদ দিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বীকারোক্তির দাবি থাকলে তা দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ায় আনতে দেরি হলে তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

















